aclassimmigration.com.au
arthkaira.com.au
belivecare.com.au
cgms.com.au
crm.khosaconcrete.com.au
fatehservices.com.au
globecoffeehousesr.com
gurayatransport.com.au
highhopesmigration.com.au
highhopesptenielts.com.au
highhopestutoring.com.au
iconiktiles.com.au
inayafreight.com.au
kangtrans.com.au
khosaconcrete.com.au
makeupbymanpreet.com.au
mirealtors.com.au
myweightlossclinic.online
officergardensupplies.au
officergardensupplies.com.au
seekvisasolutions.com.au
shreeka.com
singhelectricalperth.com.au
spillthebeanscoffeeco.com
starcarcarrier.com.au
starksimmigration.com.au
steadfastmigration.com.au
sunvoltgroup.com.au
teralifurniture.com.au
vcanmigration.com.au
wgdreamhomes.com.au
yashcardrivingschool.com.au
24x7newsnation.com
aajbangla.com
aajtalkss.in
anandadin.com
anandadinmagazine.com
anandosangbadlive.com
anchorageinnkolkata.com
atnmediicaree.com
bangadarpannews.in
banglarkhoborakhobor.com
biswadarpan.com
brilmuseum.org
dledsolutions.in
durgapur24x7.com
grsnewsindia.in
icineface.com
khoborerdunia.com
koushanimedia.com
lifeofcalcutta.in
matricharan.in
mauryasur.in
newsbengalonline.com
newsstardom.in
newstv99.com
obosorevromon.in
patherdisari.in
presspower.in
prigrow.com
sangbadbharat.com
sangbadjonobarta.com
saramasteelfurniture.co.in
shahnazconsultancy.com
shouvikdas.com
siddharthachatterjee.in
srbnewsbangla.in
theuniversetimes.in
theviewsexpress.in
travelbazarglobal.in
upgradesolutions.in
utkarshabanglanews.in

ডিবিএস ফাউন্ডেশন-এর পক্ষ থেকে ২২ জন ইমপ্যাক্ট উদ্যোক্তাকে মোট SGD ৪.৯ মিলিয়ন অনুদান; বিজয়ীদের তালিকায় কলকাতার আইকিউর টেকসফট ও কদম হাত বাস্কেট্রি

কলকাতা, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ – ডিবিএস ফাউন্ডেশন এশিয়া জুড়ে সামাজিক প্রভাব তৈরির লক্ষ্যে তাদের ২০২৫ সালের ২২টি ব্যবসাকে মোট ₹৩৪.৪০ কোটি (SGD ৪.৯ মিলিয়ন) অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেছে। এই তালিকায় রয়েছে কলকাতা-ভিত্তিক দুই সংস্থা—আইকিউর টেকসফট এবং কদম হাত বাস্কেট্রি। গুরগাঁও-এর লার্নার্ন-এর সঙ্গে এই ভারতীয় গ্রান্টপ্রাপ্ত সংস্থাগুলি দেখিয়ে দিচ্ছে, কীভাবে কলকাতার মতো শহর থেকেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উদ্ভাবন সমাজের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ক্রমশ বড় ভূমিকা নিচ্ছে।

এটি ডিবিএস ফাউন্ডেশন-এর গ্রান্ট প্রোগ্রামের ১১তম সংস্করণ। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের লক্ষ্যই ছিল এমন উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানো, যারা নতুন সমাধানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যার মোকাবিলা করছেন। প্রতিটি সংস্থাকে সর্বোচ্চ ₹১.৭৫ কোটি (SGD ২,৫০,০০০) পর্যন্ত অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি, গ্রান্টপ্রাপ্তরা ডিবিএস ফাউন্ডেশন এবং ডিবিএস-এর বিশাল ইকোসিস্টেম থেকেও সার্বিক সহায়তা পাবেন—যার মধ্যে রয়েছে মেন্টরশিপ, সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ, প্রেফারেনশিয়াল ব্যাংকিং সুবিধা এবং সমমনস্ক সংস্থাগুলির সঙ্গে পার্টনারশিপের সুযোগ। এর মাধ্যমে তাদের বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রভাব আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

ডিবিএস ফাউন্ডেশন-এর মূল লক্ষ্য—সমাজের প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও শক্তিশালী ও স্বনির্ভর করে তোলা। সেই ভাবনাকেই সামনে রেখে, ২০২৫ সালের এই কোহর্ট বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা এবং জীবিকার নতুন সুযোগ তৈরি করার মতো জরুরি ক্ষেত্রগুলিতে। এই উদ্যোগগুলির অনেকেই প্রযুক্তিনির্ভর নতুন পথ বেছে নিচ্ছে—এআই, ডিজিটাল টুল, গেমিফিকেশন, সার্কুলার ইকোনমির মতো বিষয় কিংবা কমিউনিটি-ভিত্তিক মডেলের মাধ্যমে—যাতে তাদের কাজের প্রভাব আরও ব্যাপক হয় এবং উপেক্ষিত মানুষের কাছে পৌঁছনোটা আরও সহজ ও কার্যকর হয়ে ওঠে।

প্রায় ২,২০০টি আবেদনপত্রের মধ্য থেকে কঠোর মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই গ্রান্টপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ডিবিএস-এর ৪১৫ জন কর্মী —যাদের মধ্যে সিনিয়র ম্যানেজমেন্টও ছিলেন—স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত হয়ে তাঁদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে মূল্যায়নের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। ২০২৫ সালের এই গোষ্ঠী দেখিয়ে দেয়, কীভাবে ‘ইমপ্যাক্ট’-কেন্দ্রিক ব্যবসাগুলি নিজেদের সম্প্রদায়ের বদলে যাওয়া চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন ভাবনায় এগোচ্ছে—উদ্ভাবনী উপায়ে সেই প্রয়োজনগুলোর সমাধান খুঁজে নিচ্ছে।

ভারত থেকে এই গ্রান্টপ্রাপ্ত তিনটি সংস্থা হলো:

  • আইকিউর টেকসফট — গ্রামীণ অঞ্চলে সাশ্রয়ী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ডিজিটাল হেলথ সেন্টারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যেখানে প্রশিক্ষিত কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কারদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা সহজলভ্য করা হচ্ছে
  • কদম হাত বাস্কেট্রি — গ্রামীণ শিল্পীদের জন্য দায়িত্বশীল বাজারসংযোগ তৈরি করে হস্তশিল্প পণ্যের বিস্তার ঘটাচ্ছে, যার ফলে একদিকে যেমন সাস্টেইনেবল জীবিকার সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে সংরক্ষিত থাকছে ঐতিহ্যবাহী দক্ষতা ও কারুশিল্প
  • লার্নার্ন — তরুণদের কর্মসংস্থানের সক্ষমতা বাড়াতে কাজভিত্তিক প্রশিক্ষণ, স্কিল ট্রেনিং ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের শিল্পক্ষেত্র ও কাজের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করছে

ক্যারেন নগুই, হেড, ডিবিএস ফাউন্ডেশন, বলেন, “এই অনিশ্চিত সময়ে, সমাজের প্রান্তিক সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনে স্থিতিশীলতা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা আগের তুলনায় অনেক বেশি জরুরি। আর এই কাজটা একা কারও পক্ষে সম্ভব নয়—সমাজের সব স্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন, যেখানে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়, কমিউনিটি ও সরকারি অংশীদারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে। ডিবিএস ফাউন্ডেশন-এ আমরা এমন উদ্যোগগুলির পাশে দাঁড়াই, যারা বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজ করছে। তাদের প্রভাব আরও বড় করে তুলতে আমরা শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো সার্বিক সহযোগিতাও দিই। পাশাপাশি, বৃহত্তর ইকোসিস্টেমের সঙ্গে মিলিতভাবে নতুন উদ্যোগ গড়ে তোলার দিকেও জোর দিই। একসঙ্গে আমরা এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়তে চাই, যেখানে সুবিধা থেকে বঞ্চিত মানুষরা আরও শক্তভাবে দাঁড়াতে পারে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে আগামী দিনের মুখোমুখি হতে পারে।”

গৌরব রাজপুত, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড – গ্রুপ মার্কেটিং অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, ডিবিএস ব্যাঙ্ক ইন্ডিয়া, বলে ন, “এ বছর ভারত থেকে নির্বাচিত এই ইমপ্যাক্ট উদ্যোগগুলো দেখিয়ে দেয়, কীভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উদ্ভাবন আমাদের দেশের জরুরি উন্নয়নমূলক চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার প্রসার, তরুণদের কর্মসংস্থানের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কিংবা গ্রামীণ শিল্পীদের জন্য জীবিকার পথ তৈরি—এই প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা এমন সমাধান গড়ে তুলছে, যা উপেক্ষিত মানুষের জীবনে অর্থপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন আনছে। এই উদ্যোগগুলির পাশে থাকতে পেরে আমরা গর্বিত, এবং ভারতের আরও বেশি মানুষের জন্য একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার যাত্রায় সামিল হতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

২০১৫ সাল থেকে এশিয়ার ইমপ্যাক্ট ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে ডিবিএস ফাউন্ডেশন

এ পর্যন্ত তাদের গ্রান্ট প্রোগ্রাম এবং ‘ইমপ্যাক্ট বিয়ন্ড অ্যাওয়ার্ড’-এর মাধ্যমে ১৮০-রও বেশি ইমপ্যাক্ট-নির্ভর উদ্যোগের বিকাশে গতি এসেছে। বিশেষ করে ‘ইমপ্যাক্ট বিয়ন্ড অ্যাওয়ার্ড’ এমন সব উদ্যোগকে আরও বড় করে তোলার জন্য কাজ করে, যারা ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটাতে অভিনব সমাধান প্রদান করছে। এই উদ্যোগের বিজয়ীরা তাদের কাজের পরিধি বাড়াতে সর্বোচ্চ SGD ১ মিলিয়ন পর্যন্ত সহায়তা পেয়ে থাকে।

২০২৪ সালে, ডিবিএস ফাউন্ডেশন-এর দ্বিতীয় দশকে পদার্পণ উপলক্ষে, ডিবিএস তাদের সহায়তার পরিসর আরও বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়—আগামী ১০ বছরে সর্বোচ্চ SGD ১ বিলিয়ন অর্থসহায়তা এবং তাদের কর্মীদের ১৫ লক্ষ ঘণ্টার স্বেচ্ছাসেবার অঙ্গীকার করা হয়। এর মধ্যে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত ডিবিএস ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যেই SGD ১৬০ মিলিয়নেরও বেশি বরাদ্দ করেছে—গ্রান্ট ও অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে ৪৮টি ইমপ্যাক্ট উদ্যোগকে সমর্থন জানাতে এবং কমিউনিটি ও সরকারি অংশীদারদের সঙ্গে মিলিতভাবে ২৯টি নতুন ইমপ্যাক্ট প্রোগ্রাম শুরু করতে। এই সমস্ত উদ্যোগ মিলিয়ে ২০২৯ সালের মধ্যে ৮ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সমগ্র ইকোসিস্টেমকে একসঙ্গে সক্রিয় করে তোলার এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে, ডিবিএস ফাউন্ডেশন এমন পরিবর্তন আনতে চায়, যা অর্থবহ, দীর্ঘস্থায়ী এবং বিস্তার করা সম্ভব—যাতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষরা নিজেদের শক্তিতে এগিয়ে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো জীবনের পথে এগোতে সক্ষম হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *