কলকাতায় শাটল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করল যাত্রী সাথী, চালু হচ্ছে চারটি নতুন রুট ও বাড়ছে ট্রিপ

কলকাতা, আগস্ট ২০২৬: কলকাতাজুড়ে নিজেদের শাটল নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারণ করছে যাত্রী সাথী। ইতিমধ্যেই চালু থাকা রুটগুলিতে ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি, সেক্টর V এবং নিউ টাউনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকাগুলিকে সংযুক্ত করে চারটি নতুন রুট চালু করতে চলেছে সংস্থাটি।

দৈনন্দিন যাত্রী এবং শাটল মালিক—উভয়ের জন্যই একটি নির্ভরযোগ্য ও টেকসই শাটল পরিষেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। যাত্রীদের জন্য নিয়মিত ও সুবিধাজনক শেয়ার্ড ট্রান্সপোর্ট পরিষেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি, এমন একটি টেকসই পরিচালন মডেল তৈরি করাই যাত্রী সাথীর লক্ষ্য, যাতে শাটল মালিকরাও দীর্ঘমেয়াদে এই রুটগুলিতে পরিষেবা চালিয়ে যেতে পারেন।

বর্তমানে চালু থাকা শাটল রুট

বর্তমানে যাত্রী সাথী শাটল পরিষেবা চারটি রুটে চালু রয়েছে:

ব্যারাকপুর থেকে সেক্টর V

শ্রীরামপুর থেকে সেক্টর V

বালি থেকে সেক্টর V

সোনারপুর থেকে নিউ টাউন হয়ে সেক্টর V

এই রুটগুলিতে ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আগামী দিনে আরও চারটি নতুন রুট চালু করবে যাত্রী সাথী:

নৈহাটি থেকে সেক্টর V

বিজয়গড় থেকে নিউ টাউন হয়ে সেক্টর V

রানিকুঠি থেকে নিউ টাউন হয়ে সেক্টর V

বারাসত থেকে সেক্টর V

নতুন রুটগুলির মাধ্যমে উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় শাটল পরিষেবার পরিধি আরও বাড়বে। এর ফলে সেক্টর V ও নিউ টাউনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান কেন্দ্রগুলিতে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য আরও বেশি যাতায়াতের বিকল্প তৈরি হবে।

যাত্রী সাথীর এক মুখপাত্র বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন রুট যোগ করা নয়, এমন একটি শাটল নেটওয়ার্ক তৈরি করা, যা দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরযোগ্যভাবে পরিচালনা করা যায়। আমরা এমন একটি মডেল তৈরি করতে চাই, যা যাত্রী এবং শাটল মালিক—উভয়ের জন্যই কার্যকর ও টেকসই। চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আরও ট্রিপ চালু করব এবং যেসব নতুন করিডরে টেকসইভাবে পরিষেবা পরিচালনা করা সম্ভব, সেখানে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করব।”

শাটল পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত যাতায়াতকারী মানুষের জন্য আরও সুবিধাজনক একটি বিকল্প তৈরি করার লক্ষ্য রয়েছে যাত্রী সাথীর। বিশেষ করে সেক্টর V এবং নিউ টাউনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসংস্থান কেন্দ্রে প্রতিদিন যাতায়াতকারী মানুষের জন্য এই পরিষেবা আরও সুবিধাজনক ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহণের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

দৈনন্দিন যাতায়াতে আরও বেশি মানুষকে দক্ষ শেয়ার্ড পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহারে উৎসাহিত করাই যাত্রী সাথীর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো এবং সময়ের সঙ্গে কলকাতার যানজট হ্রাসে অবদান রাখার পাশাপাশি আরও টেকসই শহুরে পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এই উদ্যোগ।

সাম্প্রতিক এই সম্প্রসারণের পরেও যাত্রী সাথী গ্রাহকদের চাহিদা এবং পরিচালনগত সম্ভাবনার ভিত্তিতে শাটল নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার কাজ চালিয়ে যাবে। আগামী কয়েক মাসে আরও নতুন রুট এবং অতিরিক্ত ট্রিপ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার।

গ্রাহকরা যাত্রী সাথী অ্যাপের মাধ্যমে উপলব্ধ শাটল রুট, সময়সূচি দেখতে এবং নিজেদের আসন বুক করতে পারবেন।

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *