উইমেন ইন ব্লু-এর নিরলস যাত্রাপথ এবং অগ্রগতিকে উদযাপন করছে অ্যাপোলো টায়ার্স

  • জাতীয় আইকন হারমনপ্রীত, স্মৃতি, জেমিমা, শেফালি এবং রেণুকাকে নিয়ে তৈরি এই ভিডিওটি জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অদম্য জেদ, দৃঢ়সংকল্প এবং তাঁদের লড়াইয়ের যাত্রাপথকে উদযাপন করেছে।

ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান স্পন্সর অ্যাপোলো টায়ার্স, তাদের অত্যন্ত প্রশংসিত ‘হর সফর মেঁ দম হ্যায়’ প্রচারাভিযানের মূল ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। সেখানে এবার স্পটলাইট বা মূল ফোকাস ফিরিয়ে আনা হয়েছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল বা উইমেন ইন ব্লু এর এক একটি অনুপ্রেরণামূলক লড়াই ও এগিয়ে যাওয়ার কাহিনির ওপর।
এই বিজ্ঞাপনী প্রচারাভিযানে খেলোয়াড়দের সেই কঠিন এবং সাধারন চক্ষুর আড়ালে থেকে যাওয়া লড়াইয়ের গল্পকেই উদযাপন করা হয়েছে। মর্মস্পর্শী এবং সিনেমাটিক ঘরানার দুর্দান্ত ভিডিওর মাধ্যমে সেই সব লড়াইকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশ্বমঞ্চে পরিচিতি পাওয়ার আগে আমাদের জাতীয় আইকন হারমনপ্রীত, স্মৃতি, জেমিমা, শেফালি এবং রেণুকাকে কতটা শান্ত, কঠিন এবং একাকী পথ পাড়ি দিতে হয়েছে, তা অত্যন্ত কাছ থেকে এই ভিডিওতে তুলে ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে থাকা মন ছুঁয়ে যাওয়া একটি মৌলিক গান প্রতিটি খেলোয়াড়ের লড়াইয়ের আবেগ এবং শেষমেশ বিজয়িনী হয়ে উঠার গল্পকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
ভিডিওটিতে এই চ্যাম্পিয়নদের শুরুর দিকের জীবনের গভীরে গিয়ে তুলে ধরা হয়েছে তাঁদের সেই সব ভিন্ন ভিন্ন লড়াই আর অদম্য মানসিকতার গল্প, যা তাঁদের আজকের সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছে। ছেলেদের ক্রিকেট একাডেমিতে খেলার সুযোগ পেতে ছোট্ট শেফালির নিজের চুল কেটে ফেলা হোক, কিংবা স্বপ্নপূরণের জন্য হারমনপ্রীতের সমাজের পুরনো ধ্যানধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা, তাঁদের এই হার না মানা জেদকে এই ভিডিওটি কুর্নিশ জানায়। দাদার কাছ থেকে স্মৃতির অনুপ্রেরণা পাওয়া, ছেলেদের সাথে জেমিমার অনুশীলন করা, বা প্র্যাকটিসের জন্য রেণুকার প্রতিদিন দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া, তাঁদের প্রতিটি সাফল্যের পেছনের অদম্য লড়াইকেই ভিডিওটিতে উদযাপন করা হয়েছে।

এখানে ফিল্মটি দেখুন.
এই ক্যাম্পেন বা প্রচারাভিযানের বিষয়ে অ্যাপোলো টায়ার্স লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এমডি নীরজ কানওয়ার বলেন: “ ‘হর সফর মেঁ দম হ্যায়’-এর মূল লক্ষ্যই হলো গন্তব্যে পৌঁছনোর যাত্রাপথকেও উদযাপন করা। এই চিন্তাভাবনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে, অত্যন্ত গর্বের সাথে আমরা আমাদের উইমেন ইন ব্লু এর সেই না-বলা গল্পগুলো সবার কাছে তুলে ধরছি। সাহস এবং দৃঢ় বিশ্বাসে ভরা তাঁদের এই যাত্রাপথ গোটা দেশের জন্যই এক বড় অনুপ্রেরণা। এই ক্যাম্পেইনটি তাঁদের সেই অদম্য মানসিকতার প্রতি আমাদের একটি শ্রদ্ধার্ঘ্য। ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতি আমাদের যে গভীর আবেগ ও সম্মান রয়েছে, তা যেমন এখানে ফুটে উঠেছে, ঠিক তেমনই এই ক্যাম্পেইনটি হার-না-মানা জেদ এবং শ্রেষ্ঠত্বকে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও আমাদের প্রতিশ্রুতির কথা বলে”।
ভিডিওটি তৈরির পেছনের সৃজনশীল ভাবনার কথা তুলে ধরে সিমরন কানওয়ার বলেন: “আমাদের লক্ষ্য ছিল এমন একটি ভিডিও তৈরি করা, যা একেবারে অন্যরকম হবে এবং হারমনপ্রীত, স্মৃতি, জেমিমা, শেফালি ও রেণুকার বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতার সাথে খুব গভীরভাবে জড়িয়ে থাকবে। এটি ‘হর সফর মেঁ দম হ্যায়’-এর একই মূল ভাবনা থেকে তৈরি হলেও, এর গল্প বলার ধরনটিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা তাঁদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা লড়াই এবং জয়ের গল্পকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলে। অত্যন্ত আপন করে বলা গল্প এবং আবেগঘন একটি গানের মাধ্যমে আমরা চেয়েছিলাম দর্শকরা যাতে ভারতের মহিলা ক্রিকেটের পেছনের আসল অনুভূতির সাথে নিজেদের মেলাতে পারেন। এর পাশাপাশি এটি সারা দেশের লক্ষ লক্ষ তরুণীর জন্য একটি শক্তিশালী বার্তাও দেয় যে, তাঁদের নিজেদের যাত্রাপথ এবং লড়াইয়েরও অনেক মূল্য আছে”।
এই ক্যাম্পেইনের ভাবনার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে অ্যাপোলো টায়ার্স লিমিটেডের গ্রুপ হেড (মার্কেটিং) উদয়ন ঘাই বলেন: “এই ক্যাম্পেইনটি আসলে আমাদের মূল বিশ্বাসের আন্তরিক বহিঃপ্রকাশ। বর্তমানে মহিলা ক্রিকেটকে ঘিরে যে সাংস্কৃতিক জোয়ার তৈরি হয়েছে তা অনস্বীকার্য। আমরা তাঁদের এই অনন্য অভিজ্ঞতার গল্পগুলোকে অত্যন্ত সততার সঙ্গে গভীরভাবে ফুটিয়ে তুলে সেই জোয়ারকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম। ‘হর সফর মেঁ দম হ্যায়’-এর এই নতুন পর্বের মাধ্যমে আমরা দর্শকদের সামনে এমন কিছু হার-না-মানার গল্প তুলে ধরছি যা সবার মন ছুঁয়ে যাবে। এর উদ্দেশ্য হলো সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছনোর প্রতিটি লড়াইকেই সমান আবেগ ও সমমর্যাদার সাথে উদযাপন করা উচিত, এই বার্তাটি আরও জোরালো করা”।
প্রধানত ডিজিটাল মাধ্যমকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি এই ক্যাম্পেইনটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে। ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে সবচেয়ে বেশি পৌঁছানোর লক্ষ্যে ইউটিউব এবং মেটা প্ল্যাটফর্মে একটি সুপরিকল্পিত প্রচার কৌশল বা ডিস্ট্রিবিউশন স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় ডিজিটাল আউট-ডোর বিজ্ঞাপন, নির্দিষ্ট ইনফ্লুয়েন্সারদের সাথে যৌথ উদ্যোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার নানা আকর্ষণীয় ও ইন্টারেক্টিভ কার্যক্রমের মাধ্যমে এই প্রচারকে আরও জোরদার করে তোলা হবে।

ব্র্যান্ড: অ্যাপোলো টায়ার্স
ব্র্যান্ড কাস্টোডিয়ান: উদয়ন ঘাই
ক্রিয়েটিভ এজেন্সি: ডব্লিউপিপি
প্রযোজনা সংস্থাঃ গ্র্যাভিটি এন্টারটেইনমেন্ট
পরিচালক: বিভু পুরি

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *