- বিনামূল্য এবং ৩০০ টাকার স্টাইপেন্ডারি প্রশিক্ষণই তরুণ প্রজন্ম- এর ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন বাস্তব করবে
চিফ রিপোর্টার: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর ও আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ-এর উদ্যোগে তপসিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ভুক্ত ২০০০ জন ছেলেমেয়েদের এবং স্কুল শিক্ষা বিভাগ ও সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সহযোগিতায় ৩০০০ জন পড়ুয়াকে “ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট, জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন ও সর্বভারতীয় মেডিকেল (নিট)”-এর প্রবেশিকা পরীক্ষার বিনামূল্য কোচিং দেওয়া শুরু হতে চলেছে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলার সদরের ৫০ টি কেন্দ্রে তপসিলি জাতি ও আদিবাসী ছেলেমেয়েদের এবং ৬০ টি কেন্দ্রে জেনারেল, ওবিসি ও মাইনরিটি সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়েদের নিয়ে মোট ১১০ টি কেন্দ্রে সারা রাজ্যে আগামী বছরের সম্ভবত ৪ জানুয়ারি,২০২৬ থেকে ৫০০০ জন পড়ুয়ার কোচিং শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার।
সপ্তাহান্তে শনি ও রবিবার নিয়মিত ৪ ঘণ্টা করে অফলাইন ক্লাস, বিনামূল্যে বিষয় ভিত্তিক বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের উন্নত মানের স্টাডি মেটেরিয়াল, লাইফ কোচ দ্বারা মোটিভেশনাল ক্লাস, নিয়মিত মক টেস্ট ও পরীক্ষার ঠিক আগে বাছাই করা ছেলে-মেয়েদের “রেসিডেনসিয়াল কোচিং” এর মধ্যে দিয়ে এই প্রশিক্ষণ সাফল্যের লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে। রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ‘ন্যাশনাল কম্পিউটার সাক্ষরতা মিশন’এই মানসম্মত কোচিং করাচ্ছে।
আবেদনের প্রক্রিয়া:
১) আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। অনলাইন, অফলাইন ও বিজ্ঞাপনে দেওয়া “স্ক্যানার”- এর মাধ্যমে মোবাইল থেকেও এই কোচিং এর জন্য আবেদন করা যাবে।
২) ক্লাস ইলেভেন সায়েন্স বিভাগে পাঠরত ছেলে – মেয়ে রা এই কোচিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৩) তফসিলি জাতি, আদিবাসী ও ওবিসি সম্প্রদায়ের জন্য কাস্ট সার্টিফিকেট এর প্রত্যয়িত কপি জমা দিতে হবে।
৪) পারিবারিক বার্ষিক আয় ৩ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে হবে।
৫) ইনকাম সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
৬) স্টাইপেন্ড নেওয়ার জন্য পড়ুয়াদের ব্যাংক একাউন্ট ডিটেল দিতে হবে।
৭) স্ক্রিনিং কমিটির দ্বারা নির্বাচিত মেধাতালিকায় থাকা ছেলে- মেয়েরাই কোচিং- এর সুযোগ পাবেন।
৮) যে কোনো তথ্যের জন্য বিজ্ঞাপনে থাকা ২ টি হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলে সহায়তা মিলবে।
৯) আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪/১২/২০২৫ রাত ১২ টা পর্যন্ত।
তফসিলি ও আদিবাসী ছেলে-মেয়েদের আবেদনের পদ্ধতি: www.wbbcdev.webstep.in ওয়েবসাইট থেকে ছেলে মেয়েরা অনলাইনে সরাসরি ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন। অথবা এই ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে ফিলআপ করে পড়ুয়া যে সেন্টারে আবেদন করবেন সেখানে জমা দিতে পারবেন। মাধ্যমিকে যে তফসিলি জাতির পড়ুয়ারা ৬০% ও আদিবাসী পড়ুয়া ৫০% নম্বর পেয়েছেন শুধুমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবেন।
তফসিলি জাতি ও আদিবাসি পড়ুয়াদের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞাপনে ২৩ টি জেলার কোন সদরের কোন কোন কেন্দ্রে এই বিনামূল্যে কোচিং দেওয়া হবে — সব তথ্য দেওয়া আছে। পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রের সেন্টার-ইন-চার্জ – এর ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। এই দুই সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের বিজ্ঞাপনে থাকা নির্দিষ্ট ৫০ টি সেন্টারের মধ্যে কোনো একটিতেই প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকেও আবেদনের ফর্ম পাওয়া যাবে।
জেনারেল, ওবিসি ও মাইনরিটি সম্প্রদায়ের ছেলে- মেয়েদের আবেদনের পদ্ধতি: www.wbbcdev.webstep.in ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনে সরাসরি ফর্ম ফিলআপ করা যাবে। অথবা এই ওয়েবসাইট থেকে ফর্ম ডাউনলোড করেও ফিলআপ করে পড়ুয়া যে সেন্টারে আবেদন করবেন সেখানে জমা দিতে পারবেন। মাধ্যমিকে ওবিসি জাতির পড়ুয়ারা ৬৫% ও জেনারেল এবং মাইনরিটি পড়ুয়া যারা ৭০% নম্বর পেয়েছেন শুধুমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবেন।
জেনারেল, ওবিসি ও মাইনরিটি সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের জন্য আলাদা একটি নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞাপনে ২৩ টি জেলার কোন সদরের কোন কোন কেন্দ্রে এই বিনামূল্যে কোচিং দেওয়া হবে — সব তথ্য দেওয়া আছে। পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রের সেন্টার-ইন-চার্জ – এর ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। এই সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের বিজ্ঞাপনে থাকা নির্দিষ্ট ৬০ টি সেন্টারের মধ্যে কোনো একটিতেই প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে। প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকেও আবেদনের ফর্ম পাওয়া যাবে। মাধ্যমিকে যে তফসিলি জাতির পড়ুয়ারা ৬০% ও আদিবাসী পড়ুয়া ৫০% নম্বর পেয়েছেন শুধুমাত্র তারাই আবেদন করতে পারবেন।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য: তফসিলি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের পড়ুয়া যদি জেনারেল, ওবিসি ও মাইনরিটি সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের কেন্দ্রে আবেদন করেন অথবা একই রকম বিপরীত ঘটনা ঘটলে সেই আবেদন বাতিল করা হবে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দপ্তর ও আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ, স্কুল শিক্ষা বিভাগ, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এর ওয়েবসাইট – গুলিতেও এই ২ টি বিজ্ঞাপন পাওয়া যাবে। রাজ্যের পড়ুয়াদের বৃহত্তর সাফল্যের লক্ষ্যেই রাজ্য সরকারের এই বিশেষ উদ্যোগ।






