আলো-ঝলমলে পর্দা থেকে উদ্যোক্তার পথে: নিজের ব্র্যান্ড “Margot L’Ane” নিয়ে নতুন যাত্রা শুরু অভিনেত্রী প্রান্তিকা দাসের

অভিনয়ের জগতের পাশাপাশি এবার উদ্যোক্তা হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন অভিনেত্রী প্রান্তিকা দাস। তাঁর নতুন ফ্যাশন ব্র্যান্ড Margot L’Ane–এর মাধ্যমে মেয়েদের জন্য স্টাইলিশ এবং সাশ্রয়ী মূল্যের প্রোডাক্ট নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

বলিউড, তামিল, তেলেগু, নর্থ-ইস্ট এবং বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের অভিজ্ঞতা থাকা প্রান্তিকা অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই নিজের একটি ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করছিলেন। সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপই আজ Margot L’Ane।

ব্র্যান্ডটির যাত্রা শুরু হয়েছে মেয়েদের জুতো দিয়ে। তবে ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে আরও বিভিন্ন ধরনের মেয়েদের প্রোডাক্ট বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রান্তিকা দাস বলেন, “ছোটবেলা থেকেই নিজের একটি ব্র্যান্ড তৈরির স্বপ্ন দেখতাম। তবে আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি যে শুধুমাত্র ইচ্ছা থাকলেই হয় না, তার পেছনে দরকার শক্ত গবেষণা ও পরিকল্পনা। তাই দীর্ঘদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছিলাম।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা জানেন আমি বলিউড, তামিল, তেলেগু, নর্থ-ইস্ট এবং বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি। বিভিন্ন জায়গায় কাজ করার কারণে আমি চাই আমার ব্র্যান্ডটিও আমার সঙ্গে সঙ্গে ভ্রমণ করুক—শুধু ভারতের মধ্যেই নয়, একদিন আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও Margot L’Ane নিজের জায়গা করে নিক।”

‘Margot’ শব্দটির মধ্যেও রয়েছে একটি বিশেষ ভাবনা। নাইন্টিন্থ সেঞ্চুরিতে সেই সব মহিলাদের ‘Margot’ বলা হতো যারা আত্মবিশ্বাসী, শক্ত মনের, নিজের মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারেন এবং সাহসের সঙ্গে নিজেদের মতো করে জীবন যাপন করেন।

প্রান্তিকার কথায়, “আমার কাছে আমার মা একজন সত্যিকারের Margot। আমার দিদিমা একজন Margot। আসলে পৃথিবীর প্রতিটি মা এবং প্রতিটি নারীই এক একটি Margot, কারণ তাঁদের শক্তি ও আত্মবিশ্বাসই আমাদের অনুপ্রেরণা।”

Margot L’Ane–এর জুতোগুলো এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যাতে দাম থাকে সবার নাগালের মধ্যে, কিন্তু লুক হয় প্রিমিয়াম এবং ব্যবহৃত হয় উচ্চমানের উপকরণ।

প্রান্তিকা বলেন, “আমাদের লক্ষ্য খুব সহজ—সাশ্রয়ী দামে প্রিমিয়াম লুক ও ভালো মানের প্রোডাক্ট তৈরি করা, যাতে প্রত্যেক মেয়েই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এই ব্র্যান্ড ব্যবহার করতে পারে।”

ভবিষ্যতে Margot L’Ane–কে একটি জনপ্রিয় ও বিশ্বাসযোগ্য ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তোলাই এখন প্রান্তিকা দাসের লক্ষ্য। তাঁর আশা, আগামী দিনে এই ব্র্যান্ড প্রতিটি মেয়ের কাছে একটি পরিচিত ‘হাউসহোল্ড নেম’ হয়ে উঠবে

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *