• পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ আর্থিক বর্ষের ৯ মাসে ~৪৬০ কোটি টাকা মূল্যের ৯২.৭ হাজার ক্লেমের নিষ্পত্তি করা হয়েছে
কলকাতা, এপ্রিল, ২০২৬: ভারতের বৃহত্তম একক খুচরো স্বাস্থ্য বিমা কোম্পানি, স্টার হেলথ ও অ্যালায়েড ইনশিওরেন্স কোম্পানি লিমিটেড (NSE: STARHEALTH; BSE: 543412), পশ্চিমবঙ্গে তার উপস্থিতি আরও নিবিড় করছে এমন এক সময়ে যখন আরও জোরদার সচেতনতা আর বিমা সংস্থা ক্রমশ আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার কারণে, এই রাজ্যে সংগঠিত স্বাস্থ্য বিমা গ্রহণে আরও বেশি সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে। কোম্পানির জন্য পশ্চিমবঙ্গ একটা গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যা আকার, পরিষেবার গুণমান ও প্রযুক্তিচালিত ডেলিভারির মধ্যে দিয়ে খুচরো স্বাস্থ্য বিমার বৃহত্তর সম্প্রসারণের প্রতিফলন।
পশ্চিমবঙ্গে স্টার হেলথ ইনশিওরেন্স ২০২৬ আর্থিক বর্ষে ~১,১০০ কোটি টাকার গ্রস রিটন প্রিমিয়াম নথিভুক্ত করেছে, যা গতবছরের থেকে ১০% বেড়েছে। এই রাজ্যে পলিসির সংখ্যাতেও ৩% বৃদ্ধি হয়েছে, যা সুরক্ষাপ্রাপ্ত জীবনের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৪.৭ লক্ষ+ করেছে। ব্যবসায় নতুন করে বৃদ্ধি হচ্ছে এই শিল্পক্ষেত্রের পক্ষে নতুন ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পছন্দের এলাকায় বিমা সংস্থার আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার কারণে। রাজ্যে কোম্পানির অন-গ্রাউন্ড ফুটপ্রিন্টের মধ্যে আছে ৭৫+ শাখা, ৬২.১+ পরামর্শদাতা, ৮০০+ কর্মচারী, ৭৫+ স্টার গ্রামীণ বিমা কেন্দ্র, ১,৮৮০+ পিন কোড এবং ৬০০+ নেটওয়ার্ক হাসপাতাল।
পশ্চিমবঙ্গে কোম্পানির উপস্থিতি ক্রমশ নিবিড় হচ্ছে। এই অবস্থায় আনন্দ রায়, এমডি অ্যান্ড সিইও, স্টার হেলথ ইনশিওরেন্স, বললেন “পরিবারগুলো যেভাবে আর্থিক প্রস্তুতি, স্বাস্থ্য পরিচর্যার নাগাল এবং পরিচর্যা চালু রাখা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে তার মধ্যে স্বাস্থ্য বিমার ভূমিকা ক্রমশ বেশি করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সচেতনতা যত বাড়ছে আর এই ক্যাটেগরির প্রতি প্রত্যাশা আরও তীক্ষ্ণ হচ্ছে, তত একজন বিমাকারীর ভূমিকা প্রোডাক্টের সহজলভ্যতা ছাড়িয়ে অনেকদূর চলে যাচ্ছে। এই ভূমিকা তৈরি করা হয়েছে পরিষেবার গুণমান, নির্ভরযোগ্য ক্লেমস সহায়তা, হাসপাতালের সহজ নাগাল এবং এমন এক অভিজ্ঞতা দিয়ে যার উপর ক্রেতারা ধারাবাহিকভাবে নির্ভর করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গে স্পষ্টভাবে এই পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, যেখানে ক্রেতারা সংগঠিত স্বাস্থ্য বিমাকে বেশি মূল্য দিচ্ছেন সুরক্ষা আর পরিচর্যার প্রতি তাঁদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসাবে। এই ব্যাপারটাই এই ক্যাটেগরিকে দৈনন্দিন জীবনে আরও প্রাসঙ্গিক, আরও বিশ্বাসযোগ্য এবং আরও বেশি গভীরে প্রোথিত করে দিচ্ছে।”
ক্লেমস সার্ভিসিং এখনো এই রাজ্যে কোম্পানির কাস্টমার ফ্র্যাঞ্চাইজের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রুফ পয়েন্টগুলোর অন্যতম। ২০২৬ আর্থিক বর্ষের ৯ মাসে স্টার হেলথ পশ্চিমবঙ্গে ৯২.৭ হাজারের বেশি ক্লেমের নিষ্পত্তি ঘটিয়েছে, যার মূল্য ~৪৬০ কোটি টাকা। গতবছর একই সময়ে ৩৯১ কোটি টাকা মূল্যের ৯১.৭ হাজার ক্লেমের নিষ্পত্তি হয়েছিল। স্টার হেলথ প্রতিদিন ৫,৮০০-র বেশি ক্লেমের নিষ্পত্তি ঘটায়। এর মধ্যে ৯৬% ক্লেম তিন ঘন্টার মধ্যেই সামলে ফেলা হয়, পাশাপাশি গতি ও দক্ষতা বাড়াতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সরাসরি প্রোসেসিং আরও বড় করে প্রয়োগের ব্যবস্থা হচ্ছে।
জাতীয় স্তরে স্টার হেলথ এখনো খুচরো স্বাস্থ্য বিমায় এক নম্বরে। তাদের দখলে খুচরো স্বাস্থ্যের বাজারের ৩১% আর একক স্বাস্থ্য বিমার ৫৩%। ২০২৬ আর্থিক বর্ষের জন্য কোম্পানি ~১৮,৬০০ কোটি টাকার গ্রস রিটন প্রিমিয়াম নথিবদ্ধ করেছে 1/n বেসিসে, যা ২০২৫ আর্থিক বর্ষের থেকে ১১% বেশি। আজ স্টার হেলথ ভারত জুড়ে ২৫ মিলিয়ন+ জীবনকে সুরক্ষা দিচ্ছে ৯০০+ শাখা অফিস, ৮.৩ লাখ এজেন্ট আর ১৫,৪০০+ নেটওয়ার্ক হাসপাতালের মাধ্যমে। কোম্পানি হাসপাতালে ভর্তি ছাড়াও নিজের ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে সুস্থতা, টেলিমেডিসিন, ফেস স্ক্যান, বাড়ির স্বাস্থ্য পরিচর্যা সহায়তা এবং চিকিৎসার খরচ হিসাব করার ক্যালকুলেটরের মাধ্যমে। ২০২৬ আর্থিক বর্ষে এই ডিজিটাল স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলো ব্যবহার করেছেন এক মিলিয়নের বেশি ক্রেতা।
এই অঞ্চলে কোম্পানির বিরামহীন জোর দেওয়া সম্পর্কে হিমাংশু ওয়ালিয়া, হোল-টাইম ডিরেক্টর, স্টার হেলথ ইনশিওরেন্স, বললেন “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ হাসপাতালে ভর্তি মিটে যাওয়ার পরেও স্বাস্থ্য বিমার সঙ্গে জোরালো আদানপ্রদান চালাচ্ছেন। আমরা সুস্থতা, টেলিমেডিসিন, বাড়ির স্বাস্থ্য পরিচর্যা আর ডিজিটাল টুলের আরও বেশি সক্রিয় ব্যবহার দেখতে পাচ্ছি। এ থেকে বোঝা যায় যে নাগালের মধ্যে থাকা, বাস্তবসম্মত ও চালু সহায়তার প্রতি মানুষের আকর্ষণ বাড়ছে। এই রাজ্যে আমরা জোর দিয়েছি সেই অভিজ্ঞতাটাকে আরও শক্তিশালী পরিষেবা সহায়তা এবং গভীরতর স্থানীয় প্রচেষ্টার মাধ্যমে আরও নির্ঝঞ্ঝাট করে তোলার উপর। এতে ক্রেতার সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার যাত্রায় স্বাস্থ্য বিমাকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে নিতে সুবিধা হচ্ছে।”
স্টার হেলথ পশ্চিমবঙ্গে ক্রেতাদের সঙ্গে সংযোগকে মূল বিমা কভারেজের বাইরেও প্রসারিত করছে ডিজিটাল স্বাস্থ্য ও সামাজিক গোষ্ঠীর স্তরের পরিচর্যা উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে। এর ডিজিটাল স্বাস্থ্য ইকোসিস্টেম এখন রাজ্যের ৯৪০ খানা পিং কোডে পৌঁছেছে, অন্যদিকে বাড়ির স্বাস্থ্য পরিচর্যা সহায়তা লঞ্চ হওয়ার পর থেকে প্রায় ৫,৭৫০ জন ক্রেতার কাছে পৌঁছেছে। আসানসোল আর শিলিগুড়িতে কোম্পানির আরোগ্য সেবা কেন্দ্রগুলো বিনামূল্যে প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিচর্যা পরিষেবায় নাগাল আরও শক্তিশালী করেছে। এই পরিষেবাগুলোর মধ্যে আছে ডাক্তারের পরামর্শ, মেডিসিন, ডায়াগনস্টিক ও নিউমোকক্কাল ভ্যাক্সিনেশন সহায়তা।






