আনন্দদিন প্রতিবেদক :এঞ্জেল ডেল প্রি-প্রাইমারি স্কুল তাদের বার্ষিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আইএফএম কিডস ক্রিয়েটিভ সেন্টারের সহযোগিতায় সফলভাবে আয়োজন করল “মা ও মিউজ রানওয়ে ২০২৬”। এই বিশেষ আয়োজনটি উৎসর্গ করা হয়েছিল মা ও সন্তানের অমলিন স্নেহবন্ধনকে উদযাপন করার উদ্দেশ্যে।

“তিনি অনুপ্রেরণা দেন, তারা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে”—এই ভাবনাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই সন্ধ্যায় মায়েরা ও তাদের ছোট্ট সন্তানরা একসঙ্গে রানওয়েতে অংশ নেন। ভালোবাসা, আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার এক অপূর্ব পরিবেশে স্কুলের মঞ্চ পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উদযাপনের আসরে, যেখানে পরিবার, সৃজনশীলতা এবং আনন্দ একসাথে মিলেমিশে যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২০২৪ সালের মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার তৃতীয় রানার-আপ সুশ্মিতা রায়। তাঁর অনুপ্রেরণামূলক উপস্থিতি এবং আন্তরিক কথাবার্তা শিশু ও মায়েদের মধ্যে এক বিশেষ উৎসাহ ও আনন্দের সঞ্চার করে। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও গৌরবান্বিত ও স্মরণীয় করে তোলে।
পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও আবেগের এক সুন্দর সমন্বয়। মায়েরা যখন সন্তানদের হাত ধরে রানওয়েতে হেঁটেছেন, তখন যেন ফুটে উঠেছে মায়ের আঁচলের স্নেহময় আশ্রয় এবং সেই আশ্রয় থেকেই জন্ম নিয়েছে একটি শিশুর আত্মবিশ্বাস। দর্শকেরা উপভোগ করেছেন আনন্দ, গর্ব ও আবেগে ভরা অসংখ্য হৃদয়স্পর্শী মুহূর্ত।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে আইএফএম একাডেমি কিডস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুন্তনীল দাস বলেন,
“মা ও মিউজ রানওয়ে কেবল একটি মঞ্চে হাঁটার অনুষ্ঠান নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা এবং মায়ের অনুপ্রেরণাকে উদযাপন করার এক সুন্দর উদ্যোগ। এই মঞ্চের মাধ্যমে আমরা শিশুদের নিজেদের প্রকাশ করার সুযোগ দিতে চাই, যাতে তারা গর্বের সঙ্গে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারে।”
তিনি আরও জানান, আইএফএম একাডেমির প্রশিক্ষকেরা শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও সৌন্দর্যের সঙ্গে মঞ্চে হাঁটার জন্য প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।
এঞ্জেল ডেল প্রি-প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা বিথিকা দে এই আয়োজনের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন,
“শিশুরা তাদের জীবনের প্রথম ভালোবাসা, সাহস ও আত্মবিশ্বাসের শিক্ষা পায় তাদের মায়ের কাছ থেকেই। ‘মা ও মিউজ রানওয়ে’ সেই সম্পর্ককে উদযাপন করার এবং আমাদের ছাত্রছাত্রী ও তাদের পরিবারের জন্য স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করার একটি সুন্দর উদ্যোগ।”
আনন্দ, করতালি ও হাসিমুখে ভরা এই সন্ধ্যা শেষ হলেও উপস্থিত সকলের মনে রেখে গেল অসংখ্য উজ্জ্বল স্মৃতি। “মা ও মিউজ রানওয়ে ২০২৬” আবারও প্রমাণ করল—প্রতিটি আত্মবিশ্বাসী সন্তানের পেছনে থাকেন একজন অনুপ্রেরণাদায়ী মা।






